আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্বে নামিবিয়ার বিপক্ষে বাঁচা মরার ম্যাচে ১০২ রানের বড় ব্যবধানে জিতেছে পাকিস্তান। দারুণ এই জয়ের সুবাদে সুপার এইটে নিজেদের জায়গা নিশ্চিত করলো সালমান আলী আঘার দল, বিদায় নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব মাঠে টসে জিতে আগে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় পাকিস্তান। ওপেনিং জুটিতে সাহিবজাদা ফারহান এবং সাইম আইয়ুবের ব্যাটে ভর করে ভালো শুরু পায় পাকিস্তান। যদিও সাইম বেশিক্ষণ টেকেননি। দলের ৪০ রানের মাথাতে ১২ বলে ১৪ রান করে বিদায় নেন সাইম। পাওয়ারপ্লের ৬ ওভারে ১ উইকেট হারিয়ে ৪৭ রান তোলে পাকিস্তান।
তিনে নামেন অধিনায়ক সালমান আলী আঘা। টিকে থাকা ওপেনার ফারহানের সাথে ক্রিজে জমে যান সালমান। দুজনের কার্যকরী ব্যাটিংয়ে এগিয়েছে পাকিস্তানের ইনিংস। উইকেটের চারপাশে দারুণ সব শটে রান বের করেছেন দুজন। চালিয়েছেন আগ্রাসী ব্যাটিং।
সালমান ২৩ বলে ৩৮ রান করে দলের ১০৭ রানের মাথাতে থামেন। চারে নেমে সুবিধা করতে পারেননি খাজা নাফে। ৫ বলে ৫ রান করেছেন তিনি। এরপর ফারহানের সাথে জুটি বাঁধেন শাদাব খান। ফারহান ফিফটি তুলে নেন।
ফিফটির পরেও ছুটে চলেছেন সাহিবজাদা ফারহান। নামিবিয়ার বোলারদের পিটিয়ে কচুকাটা করেছেন তিনি, দলের বোর্ডে তুলেছেন রান। ছুটেছেন সেঞ্চুরির দিকে। শেষ দিকে সেঞ্চুরির অনেক কাছে চলে যান ফারহান। শেষ ওভারে ছুঁয়েছেন তিন অঙ্কের ম্যাজিক ফিগার। আরেক প্রান্তে তাণ্ডব চালিয়েছেন শাদাব খানও।
নির্ধারিত ২০ ওভারের খেলা শেষে ৩ উইকেট হারিয়ে ১৯৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় পাকিস্তান। ২২ বলে ৩৬ রান করে টিকে ছিলেন শাদাব খান। ৫৮ বলে ১০০ রান করে অপরাজিত ছিলেন ফারহান।
নামিবিয়ার হয়ে ২ উইকেট নেন জ্যাক ব্রাসেল। ১ উইকেট তুলেছেন জেরার্ড ইরাসমাস।
জবাব দিতে নেমে শুরু থেকেই পাকিস্তানের বোলারদের বোলিং তোপে কোণঠাসা ছিলেন নামিবিয়ার ব্যাটাররা। দুই ওপেনার জান ফ্রাইলিংক এবং লরেন স্ট্যানক্যাম্প মিলে ওপেনিং জুটি থেকে ৩২ রান তোলেন। ১১ বলে ৯ রান করে বিদায় নেন ফ্রাইলিংক। তাকে ফিরিয়েছেন সালমান মির্জা।
তিনে নামা জান নিকোল লোফটি-ইটোন সুবিধা করতে পারেননি। ৫ বলে করেছেন মোটে ৫ রান। পাওয়ারপ্লের ৬ ওভারে জোড়া উইকেট হারিয়ে ৪০ রান তোলে নামিবিয়া। পাওয়ারপ্লে শেষেই থেমেছেন লরেন। ২২ বলে ২৩ রান করে দলের ৪৩ রানের মাথাতে সাজঘরে ফিরে যান তিনি।সেই যে উইকেটের পতন শুরু, আর যেন থামছিলই না। ব্যাটাররা মিলে যোগ দেন আসা-যাওয়ার মিছিলে। ২০ বলে ২০ রান করেন অ্যালেক্সান্ডার বুসিং-ভলশেঙ্ক। লরেন আর অ্যালেক্সান্ডার বাদে আর কেউ দুই অঙ্কের কোটাও ছুঁতে পারছিলেন না। একের পর এক উইকেট পড়েছে দ্রুততম সময়ের মধ্যে। যেন উইকেট নেওয়ার উৎসবে মাতেন পাকিস্তানের বোলাররা।
শেষমেশ ৯৭ রানে অলআউট হয়েছে নামিবিয়া। ৫৪ রানের মধ্যে হারিয়েছে শেষ ৮ উইকেট। ১০২ রানের বিশাল জয়ে সুপার এইটের টিকিট কেটেছে পাকিস্তান।
পাকিস্তানের হয়ে ৪ উইকেট শিকার করেছেন উসমান তারিক। ৩ উইকেট নেন শাদাব খান। ১টি করে উইকেট তোলেন সালমান মির্জা এবং মোহাম্মদ নওয়াজ।
বড় জয়ে সুপার এইট নিশ্চিত করলো পাকিস্তান। বিদায় নিল নামিবিয়া এবং যুক্তরাষ্ট্র। গ্রুপ থেকে ভারতের সঙ্গী হয়ে সুপার এইটে পাকিস্তান।
Lorem Ipsum has been the industry’s standard dummy text ever since the 1500s, when an unknown printer took a galley of type and scrambled it to make a type specimen.
Lorem Ipsum has been the industry’s standard dummy text ever since the 1500s, when an unknown printer took a galley of type and scrambled it to make a type specimen.
Lorem Ipsum has been the industry’s standard dummy text ever since the 1500s, when an unknown printer took a galley of type and scrambled it to make a type specimen.